রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
আরব দেশগুলোতে কি প্রভাব হারাচ্ছেন ট্রাম্প “বাংলাদেশের দাপটে নতজানু মালয়েশিয়া” “আধুনিক কৃষি ও বাজার ব্যবস্থার উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান” টেস্ট ক্রিকেট তুমি সুন্দর, বাংলাদেশ জিতলে আরও সুন্দর: মাশরাফি ১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের তথ্য ঠিক নয়, বেশিরভাগ বাঙালি: মিয়ানমার দোকানের টাকা চাওয়ায় বাংলাদেশি যুবককে গুলি করলো এক রোহিঙ্গা রোহিঙ্গা যুবকের জালিয়াতিতে মৃত্যুদণ্ড সোনা মিয়ার, কারামুক্ত হয়ে বললেন ‘জীবনটা নরক হয়ে গেছে’ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৭ বিএনপির মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের বিপক্ষে আর কখনও এত কম রানে অলআউট হয়নি অস্ট্রেলিয়া

নদী সংলাপে বক্তরা- ‘প্রত্যেকটা নদীর পাড়ে শিল্পায়ন গড়ে তুলতে হবে’

ভয়েস প্রতিবেদক:
কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত নদী সংলাপে বক্তারা বলেছেন, ‘ব্লু ইকোনিমি সহ প্রত্যেকটা নদীর পাড়ে শিল্পায়ন গড়ে তুলতে হবে। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও জাতীয় নদী জোটের যৌথ আয়োজনে কোহেলিয়া নদী সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন।

নদী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ডাঃ মুজিবর হাওলাদের সভাপতি ও বাপার কক্সবাজার জেলার সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরীর সঞ্চলনায় প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার সদর ৩ আসনের এমপি সাইমুন সরওয়ার কমল। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে বাপার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল বলেন, ‘বৈদেশিক অর্থয়ানে কক্সবাজারের মহেশখালী মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে ৩৬০০০ কোটি টাকা অর্থায়ন করা হয়েছে। গভীর সমদ্রবন্দরকে ঘিরে এখানে ব্লু ইকোনিমি সহ প্রত্যেকটা নদীর পাড়ে শিল্পায়ন গড়ে তুলতে হবে। কোহেলিয়া নদী নিয়ে বেজা সহ সরকারি বেসরকি দপ্তরের সকলকে নিয়ে বসতে হবে এবং সংসদে এই বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে’।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে শরীফ জামিল বলেন, ‘যে উন্নয়ন মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দেয় তা উন্নয়ন নয়। সরকারের উন্নয়ন কাজের বিরুধীতা করা মানে সরকারের বিরুদ্ধে নয়। দেশের ৭০ ভাগ লবণ যায় কক্সবাজার থেকে। আর এই লবণ শিল্প বাচাতে নদী দখলকারীর শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিরোধ করতে হবে’।

নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ডঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ‘কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অনুমতি না দেয়া পর্যন্ত কোহেলীয়া নদীর পাড়ে রাস্তা নির্মাণ না করার নির্দেশনা চায়।

মোসাদ্দেক আলী বলেন, ‘লঞ্চ চলাচল ও যোগাযোগের মাধ্যমে ছিলো কোহেলিয়া নদী। আজকাল একটা বোট চলতেও বাধা। অপরিকল্পিত উন্নয়নের মৃত প্রায় এই নদী।

ধলঘাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: কামরুল হাসান বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত ৫ হাজার ম্যানগ্রোভ ছিল। তবে ভুমিদস্যুরা কেটে প্রজেক্ট তৈরি করা হচ্ছে। কোহেলিয়া নদীকে মা দাবী করে বলেন ‘আমার মা কে ফিরিয়ে দেন’।

মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল বশর পারভেজ বলেন, ‘কোহেলিয়া নদী ভরাট হওয়ার কারণে শুধু সর্বশ্রেণীর মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উন্নয়ন হোক সেটা নদী ভরাট করে নয়।’

উক্ত নদী সংলাপে আরও বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার পৌরসভার নারী কাউন্সিলর শাহেনা আক্তার পাখি, মোস্তফা জব্বার, ইকবাল হোসেন, মোঃ আলম, সাংবাদিক, পানচাষী, লবনচাষী সহ অনেকে।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION